Tuesday , October 20 2020
Breaking News
You are here: Home / কুষ্টিয়ার খবর / দৌলতপুরে ৫ বোনের সম্পত্তি জোর করে ভোগ করছে ৬ ভাই
দৌলতপুরে ৫ বোনের সম্পত্তি জোর করে ভোগ করছে ৬ ভাই

দৌলতপুরে ৫ বোনের সম্পত্তি জোর করে ভোগ করছে ৬ ভাই

কুষ্টিয়া অফিস:
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলাধীন ১১ নং আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ গ্রাম নিবাসী মৃত ফয়েজ উদ্দিন বিশ্বাসের মোট ১১ জন সন্তান রয়েছে। যার মধ্যে পুত্র সন্তান রয়েছে ৬ জন আর কন্যা সন্তান রয়েছে ৫ জন। ফয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস মারা গিয়েছেন প্রায় বিশ বছর পূর্বে। তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ২৮ বিঘা, তিনি বেঁচে থাকা অবস্থায় ৬ পুত্র সন্তানের মাঝে ১৫ বিঘা জমি লিখে দিয়ে যান। সে সময় তার ৫ কন্যা কোনো সম্পত্তি পাননি। মৃত্যুকালে ফয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস ১৩ বিঘা সম্পত্তি রেখে মারা যান। তখনও মুসলিম উত্তরাধিকার আইন মোতাবেক ফয়েজ উদ্দিনের পুত্র এবং কন্যাগণ (২:১ অনুপাতে ) সকলেই সেই জমির অংশ পাওয়ার কথা থাকলেও কন্যাদের কোন সম্পত্তি দেওয়া হয়নি। আর,এস, খতিয়ান নং ১০৪৬ মালিক ফয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস। ফয়েজ উদ্দিন এর স্ত্রী ও মারা গেছেন মৃত্যু কালে তারও সম্পত্তি ছিল সেই সম্পত্তির প্রাপ্য অংশ থেকেও বঞ্চিত করছে তাদের আপন ভাইরা। আর.এস. খতিয়ান নং ৮৭৭ জমির মালিক দেলেজান।

ফয়েজউদ্দিনের কন্যাগণ এবং সম্পত্তি বন্টনের বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের ভাষ্যমতে বাবা ও মা উভয়ের সম্পত্তিরই ওয়ারিশ হবে ১১ জন ভাই-বোন তারা হলেন, ১.মৃত ইউনূস আলী ২.আব্দুল লতিব ৩. মোকাব্বর আলী ৪. সিদ্দিকুর রহমান ৫. আব্দুল মজিদ ৬. মঈন উদ্দিন ৭. সামসুন্নাহার বেগম ৮. ছানুয়ারা খাতুন ৯. মিনুয়ারা খাতুন ১০.আরিফা খাতুন ১১. বুলবুলি খাতুন।

এই ১১ জন ভাই বোনদের মাঝে পিতার ১৩ বিঘা ও মায়ের মৃত্যু কালে রেখে যাওয়া কিছু জমি মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী যে যত টুকু জমি পাবে তা পাওয়ার জন্য সকল বোন ভাইদের সাথে যোগাযোগ করতে থাকে। তারই জের ধরে ভাইগন বোনেদের প্রতিনিয়তই হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।

৫ বোন বাবা মায়ের সমপত্তি থেকে এখনও ভাগ পাইনানি বলে জানাযায় । ভাইয়েরা সব জমি দখল করে ভোগ করছে। এই ব্যাপারে ভাইদের সাথে কথা বললে তারা জানান যে বোনেরা আমাদের কাছে সম্পত্তি সব বিক্রি করে দিয়ে গেছে আমাদের কাছে তার দলিল রয়েছে। এই ব্যাপারে বোনদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা কোন জমি বিক্রি করিনাই এগুলো সব মিথ্যা কথা বলছে তারা কারণ দলিল গুলো তারা কখনয়ই দেখাতে রাজি হয় না।

সরেজমিনে গিয়ে দলিল দেখার প্রস্তাব করলেও তারা দেখাতে অনিচ্ছা পোষণ করে । বোনদের কথা হল আমরা বাবার সম্পত্তি ও মায়ের সম্পত্তি ওয়ারিশ সূত্রে যে যতটুকু পাব তা আমাদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়া হোক এই ব্যাপারে আমরা স্থানীয় মেম্বার ও চেয়ারম্যানকে জানালেও কোন সুরাহা মিলেনি ।

সামসুন্নাহার গং এর দাবী প্রতারক ভাইদেরকে আইনের আওতায় এনে তার সুষ্ঠ তদন্ত এবং বিচার যেন তারা পান আর যেন কোন বোন এমন প্রতারনার শিকার না হন। বিষয়টা সম্পর্কে বিস্তারিত খুতিয়ে দেখে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে বলেন। বর্তমানে সকল বোনেরা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।

About দৈনিক সময়ের কাগজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top
error: Content is protected !!