Sunday, November 19, 2017
সংবাদ শিরোনাম
You are here: Home / আজকের পত্রিকা / ঝাউদিয়ায় স্কুল ছাত্রি অপহরণ পুলিশের অভিযান অব্যাহত

ঝাউদিয়ায় স্কুল ছাত্রি অপহরণ পুলিশের অভিযান অব্যাহত

স্টাফ রিপোর্টারঃ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের মাজপাড়া গ্রামের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছদ্দনাম রীনা(১৬) অপহরণের ৮ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি ওই স্কুল ছাত্রীকে। স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে ইবি থানা পুলিশ নড়েচড়ে বসে। গতকাল সারাদিন ইবি থানার এস আই রেজাউল করিম অপহিতা স্কুল ছাত্রী ও অপহরণের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করার অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানায়। উল্লেখ্য ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ইবি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। জানাযায়, এই অপহরণের মূলহোতা দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের এক সময়ের চরমপন্থি শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ভারতে নিহত আজিবর মেম্বারের জামাই ঝাউদিয়ার তৈয়ব আলীর ছেলে হারুন ও একই এলাকার গফুর মণ্ডলের ছেলে রফিকুল এবং ঝাউদিয়া তেলটুপি গ্রামের বাবুল জড়িত। হারুন ওই স্কুল ছাত্রীকে ফেরত দেবে বলে স্কুল ছাত্রীর পরিবারের কাছে থেকে ১০ হাজার টাকাও নিয়েছে। তবুও স্কুল ছাত্রীকে ফিরিয়ে দেইনি। ইবি থানার অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, আমি মোছাঃ আরবী(৪০) স্বামী আব্দুল জলিল, সাং মাজপাড়া থানা ইবি জেলা কুষ্টিয়া, থানায় হাজির হইয়া আসামী হারুন(২৫) পিতা তৈয়ব আলী, রফিকুল পিতা গফুর মণ্ডল উভয় সাং ঝাউদিয়া, ইসমত আরা(নদী) স্বামী সামসুজ্জামান সুমন সাং কন্দপর্দিয়া থানা ইবি জেলা কুষ্টিয়া, বাবুল পিতা আবুল মোল্লা সাং তেলটুপি থানা হরিনাকুণ্ডু ঝিনাইদাহ সহ অজ্ঞাত ১-২ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, ছদ্দনাম রীনা খাতুন(১৬) তেলটুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আশার পথে প্রায় আসামী হারুন প্রেম ভালোবাসা সহ বিভিন্ন প্রকার কু-প্রস্তাব দিয়ে আসিতেছিল। আমার মেয়ে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কারোর নিকট প্রকাশ করে নাই। গত ৩০/০৭/২০১৭ তারিখে সকাল ৯টায় নিজ বাড়ী থেকে তেলটুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা করিয়া ঝাউদিয়া শাহী মসজিদের সামনে পাকা রাস্তার ওপর পৌছালে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা আসামী হারুন রফিকুল ও বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা ১-২ জন অতর্কিত আমার মেয়ের সামনে এসে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক নাবালিকা মেয়েকে মাইক্রোবাসে তুলে আলমডাঙ্গা মুখে চলে যায়। সাক্ষীগণ দেখিতে পাইয়া আমার মেয়েকে আসামী গণের নিকট হইতে উদ্ধারের চেষ্টায় ধাওয়া করিয়া আসামীদের কে ধরিতে পারে নাই। লোক মুখে সংবাদ পাইয়া আমি ও আমার স্বামীসহ দ্রুত ঘটনা স্থলে যাইয়া সাক্ষীদের নিকট থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারি। আমার মেয়েকে খোজাখুজির এক পর্যায়ে জানতে পারি আসামী হারুন আমার মেয়েকে নিয়ে ঘটনার দিন ইসমত আরা নদীর বাড়িতে অবস্থান করেন। এবং আমার মেয়েকে অপহরণে সহায়তা করে। এই ঘটনায় ইবি থানা অফিসার ইনচার্জ রতন শেখের কথা হইলে তিনি বলেন, পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব শীঘ্রই ওই স্কুল ছাত্রী কে উদ্ধার করা হবে।

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top