Sunday, November 19, 2017
সংবাদ শিরোনাম
You are here: Home / আজকের পত্রিকা / কুষ্টিয়া খাতের আলী কলেজে দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না শিক্ষক-কর্মচারিরা কলেজ সভাপতি ইউএনও’র বিরুদ্ধে সব সদস্যের অনাস্থা

কুষ্টিয়া খাতের আলী কলেজে দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না শিক্ষক-কর্মচারিরা কলেজ সভাপতি ইউএনও’র বিরুদ্ধে সব সদস্যের অনাস্থা

স্টাফ রিপোর্টারঃ কারণে-অকারণে তিনি সবাইকে গালমন্দ করেন। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের তিনি নিজের অধীনস্ত কর্মচারি মনে করেন। বেতন বিলে স্বাক্ষর না করায় বিগত ২ মাস ধরে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন শিক্ষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাঁর কারণে আসন্ন ঈদেও বেতন-বোনাস থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারিরা। এসব অভিযোগ তুলে খাতের আলী ডিগ্রী কলেজের সভাপতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইবাদত হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন কলেজের গভর্ণি বডির সদস্যরা। মঙ্গলবার গভর্ণি বডির ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ১০ জন স্বাক্ষরিত এই অনাস্থা পত্রটি জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক বরাবর পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সাথে নতুন সভাপতি নিয়োগ দানের জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওই অনাস্থা পত্র থেকে জানা যায়, কলেজের কোন বিষয়ে তিনি অধ্যক্ষসহ অন্য কাউরের সাথে কোন আলাপ-আলোচনা করেন না। আচরণ অসৌজন্যমূলক। রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদেরকেও তিনি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। আচরণ এত খারাপ যে অপমানিত হওয়ার ভয়ে কেউ তার সাথে কথা পর্যন্ত বলার সাহস পান না। বেতন বিলে স্বাক্ষর না করার কারণে বিগত ৩ মাস যাবৎ ৫৩ জন শিক্ষকসহ ৭৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি বেতন পাচ্ছেন না। কলেজ প্রশাসনের সাথে তার কোন মিল নেই। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গুটি কয়েক মানুষের কুপরামর্শ নিয়ে চলেন তিনি। ইউএনও হিসেবে তার বিরুদ্ধে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তার সাথে একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় খাতের আলী কলেজের গভর্ণিং বডির সদস্যরা খাতের আলী কলেজের সভাপতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইবাদত হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে নতুন সভাপতি নিয়োগ প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ মো: শাহ্জাহান জানান, সভাপতি শিক্ষক-কর্মচারিদের জিম্মি করে রেখেছেন। অনেক অনুরোধ করা সত্বেও অনৈতিকভাবে বেতন বিলে স্বাক্ষর না করায় মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না শিক্ষক-কর্মচারিরা। এমনকি এই ঈদেও শিক্ষক-কর্মচারিরা বেতন বোনাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সভাপতির কারণে। তাঁর সাথে গভর্ণিং বডির কোন সদস্যের কোন সম্পর্ক নেই। এ অবস্থায় কলেজের সার্বিক কার্যক্রম একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইবাদত হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার তার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি তাতে কোন সাড়া দেননি।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top