Monday , August 2 2021
You are here: Home / রাজশাহী ও রংপুর / গোবিন্দগঞ্জে ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় পিতাকে হত্যার অভিযোগ
গোবিন্দগঞ্জে ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় পিতাকে হত্যার অভিযোগ

গোবিন্দগঞ্জে ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় পিতাকে হত্যার অভিযোগ

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীর পিতা সরফরাজ আলীকে (৬০) মারপিট করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের বিলভর্তি গ্রামের দবিরের ছেলে আনোয়ার (৩৫) একই গ্রামের সরফরাজ আলীর নাবালিকা মেয়ে নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে পথে-ঘাটে যাওয়া আসার সময় উত্যক্ত করে আসছিল। এই ইভটিজিং ও প্রেম প্রস্তাবের বিষয়টি জানাজানি হলে ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেয় মেয়েটির পরিবার। তারা স্থানীয়ভাবে বখাটে আনোয়ারকে এমন কাজ না করার জন্য নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটে আনোয়ার গত ১৭ জুলাই সকাল থেকে মেয়েটির ভাইকে মারার জন্য রড নিয়ে পথে ওঁৎপেতে থাকে। এতে সে ভয়ে ঘর থেকে বের না হওয়ায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে শনিবার বিকালে মেয়ের বাবা সরফরাজ আলী পাশের শিবগঞ্জ উপজেলার দাড়িদহ বাজারে ঈদের কেনাকাটার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এর পর থেকে সে আর বাড়ী ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুজি করে তাকে পাওয়া যায়নি। এরই একপর্যায়ে রবিবার ১৮ জুলাই সকালে পথচারীরা পার্শবর্তী ছয় ঘরিয়া গ্রামের রাস্তা সংলগ্ন শাহ্ মো. হাম্মাদ আলী মিঠুর পরিত্যক্ত বাড়ীর সামনে সরফরাজ আলীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দিলে অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে এস.আই আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সংঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহত’র পরিবারের অভিযোগ, ইভটিজিংএ বাঁধা দেওয়ার জের ধরে সরফরাজ আলীকে প্রতিহিংসাবর্শবর্তী হয়ে আনোয়ার গংরা মারপিট ও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। ঘটনা আড়াল করতে তারা মরদেহটি পার্শ্ববর্তী গ্রামে ফেলে রাখে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার রাতেই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এ বিষয় গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ. কে. এম মেহেদী হাসান জানান, সরফরাজ আলী নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। গ্রেফতারে অভিযান চলছে। মর্মান্তিক এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

About দৈনিক সময়ের কাগজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top
error: Content is protected !!