Tuesday , December 7 2021
You are here: Home / রাজনীতি / মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা দলটিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করেছে : মির্জা ফখরুল
মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা দলটিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করেছে : মির্জা ফখরুল

মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা দলটিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করেছে : মির্জা ফখরুল

ঢাকা অফিস :
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে যারা মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে তারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করেছে। জনগণের যে আশা-আকাঙ্খা ছিল সে আশা-আকাঙ্ক্ষা ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছে।  আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি সেই গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে যে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল সেই সংবিধান তারা (বর্তমান সরকার) কেটে ছিঁড়ে তছনছ করে ফেলেছে।  এই দলটিই (আওয়ামী লীগ) ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল।  আজকেও তারা গণতন্ত্রের ছদ্মবেশে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে।

বুধবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ২৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।  এসময় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি উলফাত আজিজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের হাতে বহু মুক্তিযোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন।  এখনো যারা সত্যিকার অর্থে মুক্তিযোদ্ধা তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। যেমন মুক্তিযোদ্ধের ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে ও আজকের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পদদলিত করে ফেলেছে। তাই আমরা তাদের এরকম কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য অনতিবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ দাবী করছি। একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহবান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মুখেই মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন। প্রকৃতপক্ষে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী না। তাই যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ধারক মনে করে তারাই মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা সেটাকে ধ্বংস করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা জানি সত্যিকার অর্থেই যদি মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণের জন্য কেউ কিছু করে থাকেন তাহলে সেটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান করেছিলেন। তারপরে তারই যোগ্য উত্তরসূরী আর একজন মুক্তিযোদ্ধা সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া করেছেন। তিনিই প্রথম মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানের জন্য অনেকগুলো প্রজেক্ট করেছিলেন।

About দৈনিক সময়ের কাগজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top
error: Content is protected !!