Sunday , June 26 2022
You are here: Home / খুলনা ও বরিশাল / বেড়িবাঁধ পুনঃনির্মাণে স্বপ্ন দেখছে উপকূলের মানুষ
বেড়িবাঁধ পুনঃনির্মাণে স্বপ্ন দেখছে উপকূলের মানুষ

বেড়িবাঁধ পুনঃনির্মাণে স্বপ্ন দেখছে উপকূলের মানুষ

লিটন টফি, খুলনা:

২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে উপকূলীয় এলাকা খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ১১টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। পানিবন্দি হয়ে পড়েন তিনটি উপজেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ। ২০২১ সালে ভারী বৃষ্টিপাতে আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এসব বাঁধ। এ অবস্থায় বারবার ভাঙন রোধে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেনাবাহিনীকে। সেনাবাহিনী ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর কাজ শুরু করে ২০২২ সালে ৩০ এপ্রিল নির্মাণকাজ শেষ করে।সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি পয়েন্টের ১০ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধে সফলভাবে সংস্কার কাজ করেছে।

কয়রার ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বাসিন্দারা জানান, যখন বাঁধ ভাঙত তখন মাটি দিয়ে যেনতেনভাবে বাঁধ মেরামত করা হতো। জোয়ারের পানির চাপে কিছুদিন পরই ওই বাঁধ আবার ভেঙে যেত। কিন্তু বর্তমানে সেনাবাহিনী এখন যে বাঁধ তৈরি করেছে তা মজবুত হয়েছে। ঢেউ এলে এখন আর মাটি সরে যায় না। ফলে এলাকার মানুষ কৃষিতে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। অনেকে মাছের ঘের করাও শুরু করেছেন।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় আইলা, ফণি, বুলবুল, আম্ফান- এভাবে একের পর এক দুর্যোগে লন্ডভন্ড হয়েছে এ জনপদ।জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি, মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। বিপর্যস্ত উপকূলের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল টেকসই বেড়িবাঁধের। সেনাবাহিনীর উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে জিও সিনথেটিক ব্যাগ ও টেকসই ব্লক দিয়ে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামত করে গত ৩০ মে নির্মিত বাঁধগুলো পাউবোর কাছে হস্তান্তর করেছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী মাসুদ মো. মাহেনুর বলেন, বাঁধে জিও ব্যাগগুলো যতই পানিতে ভিজবে ততই স্থায়িত্ব বাড়বে। বাঁধ টিকিয়ে রাখতে পানির নিচে যেখানে যে মালামাল যতটুকু দেওয়ার কথা তা দেওয়া হয়েছে।

About দৈনিক সময়ের কাগজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top
error: Content is protected !!