Saturday , November 26 2022
You are here: Home / চট্টগ্রাম ও সিলেট / কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছেন পাহাড়ের তরুণ-তরুণীরা
কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছেন পাহাড়ের তরুণ-তরুণীরা

কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছেন পাহাড়ের তরুণ-তরুণীরা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ১ জানুয়ারি বান্দরবান‌ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়। সেই থেকে পিছিয়ে পড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কেন্দ্রের প্রশিক্ষকরা। এ প্রতিষ্ঠানটি পাহাড়ের শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কারিগরি শিক্ষায় গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান‌ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক রোকেয়া রহমান বলেন, এখানে শিক্ষার্থীরা হাউসকিপিংয়ের ওপর তিন মাস প্রশিক্ষণ নেয়। প্রশিক্ষণ শেষে বিদেশে যাওয়ার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। বিদেশে না যাওয়া পর্যন্ত তাদের থাকা-খাওয়া সম্পূর্ণ ফ্রি। বিদেশে যেতে হলে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার মতো লাগে। তাদের সে টাকাগুলো দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে আমরা ব্যাংক লোনের মাধ্যমে হংকং যেতে সহযোগিতা করছি।

ড্রাইভিং ট্রেডে প্রশিক্ষণ নেওয়া বাদশা মিয়া বলেন, কারিগরি প্রশিক্ষণ থেকে আমি ড্রাইভিং কোর্সে প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে পাহাড়ের একজন দক্ষ ড্রাইভার হিসেবে গাড়ি চালাচ্ছি। ইতোমধ্যে আমি একটা গাড়ি কিনেছি এবং আমি স্বাবলম্বী হয়েছি।

বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী পলাশ কুমার বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিভিন্ন কোর্সে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে আস‌ছি। যেমন মোটর ড্রাইভিং, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার, গার্মেন্টস, আরএসিসহ বিভিন্ন ভাষায় অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। এ বছর আমাদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ছাত্র-ছাত্রী বিআরটিএর মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম হাওয়ায় প্রশিক্ষণার্থীদের হোস্টেলে থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। প্রশিক্ষণের মান উন্নয়নে শিক্ষক-স্বল্পতা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি প্রয়োজন। যা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী অবগত আছেন। আমাদের বিদ্যমান এ সমস্যাগুলোর সমাধান হলে আমি আশা করি আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী আরও এগিয়ে যাবে।

About দৈনিক সময়ের কাগজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top
error: Content is protected !!